হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার যোগল কিশোর মডেল সরকারি হাইস্কুল মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, যদি জনগণের ভোট ছিনতাই না হয়, যদি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে রায় বিকৃত না করা হয়, তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
তিনি বলেন “১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে কোরআন- সুন্নাহর আলোকে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়া হবে। বিবিয়ানা ও রশিদপুরের গ্যাস নবীগঞ্জ- বাহুবলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে অতিরিক্ত গ্যাস দেশের অন্য এলাকায় সরবরাহ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আকিলপুরী।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, খেলাফতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জুল হুসাইন মিরাজী, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মশিউর রহমান, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শাহাজাহান আলী প্রমুখ।
আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “১১ দলীয় জোট কারো ক্ষমতা দখলের জন্য নয়, বরং দেশের মানুষকে তার প্রকৃত ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই—শোষণ, লুণ্ঠন ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়া।” তিনি বলেন, দেশের গরিব মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। শাসনের নামে জনগণকে শোষণ করা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “৫৪ বছরের অব্যবস্থাপনা, জুলুম ও আধিপত্যবাদী শক্তির শাসন থেকে মুক্তির জন্য ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব হয়েছিল। আবু সাঈদের মতো তরুণরা বুক পেতে দিয়ে জীবন দিয়েছে। ৩০ হাজারের বেশি যোদ্ধা পঙ্গুত্ববরণ করেছে। এই ত্যাগের অর্থবহ বাস্তবায়নের জন্যই 'জুলাই সনদ' তৈরি হয়েছে।”
কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা স্বৈরশাসককে হটিয়েছি। এখন ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়তেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।”
এফপি/অ