নির্বাচনী খরচ না পাওয়ায় ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন পিরোজপুর জেলা মহিলা দলের সদস্য সুলতানা রাজিয়া।
তিনি পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সুলতানা রাজিয়া লেখেন, “জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি, এখন আর ক্ষমতা নেই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি। নেছারাবাদ থানার পুলিশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে বিএনপি নিধনে মাঠে নেমেছে, আর বিএনপির নেতারা চুপচাপ দেখছেন। এটাই জামায়াতের নীল নকশা।”
এ বিষয়ে সুলতানা রাজিয়া বলেন, “আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।”
এ প্রসঙ্গে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, “সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এতটা পারি না।”
অন্যদিকে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, “সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টারের খরচ দেওয়া হবে। হয়তো কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।”
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেছারাবাদে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এফপি/জেএস