প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম (ভিজিটর : ১৫)
সংগৃহীত ছবি
আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাস দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা। একই সঙ্গে দৈনিক পর্যটক প্রবেশের সীমা দুই হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন হাজার করা হয়েছে। পুরো মৌসুমেই দ্বীপে রাত্রিযাপনের সুযোগ থাকবে।
তবে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে ১০০ টাকা দিতে হবে। পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পরিবেশ অধিদপ্তর।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন
রোববার (২৫ অক্টোবর) সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমনসংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে জারি করা এক চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ শাখা-২-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে নতুন নির্দেশনাগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। আগের সিদ্ধান্তে দৈনিক দুই হাজার পর্যটক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও নতুন সিদ্ধান্তে তা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমনসংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দ্বীপটির পরিবেশ সুরক্ষা ও পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
তবে আগের মতোই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল থাকবে।
নতুন সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।