প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৮ এএম (ভিজিটর : ৮)
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের দামারপোতা গ্রামে এক প্রবাসী তার মা শেফালী বেগমের নামে ২০ শত জমি ক্রয় করে চরম বিপাকে পড়েছেন।
ক্রয়কৃত জমিতে ফসল লাগালে তা নষ্ট করে দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। ফসল নষ্ট করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না সেগুলো ঘরে তুলতে না দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
জানাযায়,সদর উপজেলার দামারপোতা গ্রামের মৃত আপ্তাব বিশ্বাস এর পুত্র মো. কালাচাদ বিশ্বাস মৃত্যুবরণ করলে তার এক পুত্র ও তিন কন্যা ওয়ারেশ রেখে যান। পরবর্তীতে কালাচাদ বিশ্বাসের কন্যা জোহরা বেগম ধুলিহর মৌজার ১৯০৭,১৯০৮,১৯০৯ নং খতিয়ানের ৭৩ নং দাগের জমির মধ্য থেকে ওয়ারেশ সূত্রে ও তার অন্য বোনের অংশ ক্রয় সূত্রে ১ একর ১৬ শতক জমি প্রাপ্যদার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছে।
সম্প্রতি উক্ত জমি থেকে ২০ শতক জমি পার্শ্ববর্তী এক প্রবাসীর মা শেফালী বেগমের নামে কবলা মূলে রেজিস্ট্রি করে দেন।
শেফালী বেগম ক্রয় করে উক্ত জমিতে ফসল চাষাবাদ শুরু করে।
কিন্তু ঐ জমির উপর কু-নজর পড়ে প্রতিপক্ষ দামারপোতা গ্রামের ভূমিদস্যু হারুন আর রশিদ ও তার পুত্র স্কুল শিক্ষক মামুনের। তারা জাল কাগজ সৃষ্টি করে উক্ত জমি তাদের দাবি করে স্কুল শিক্ষক মামুনের নেতৃত্বে শেফালী বেগমের লাগানো ধানের চারা নষ্ট করে দিয়েছে। এবং তাদের লাগানো পাট জোরপূর্ব কেটে নিয়ে যাচ্ছে মামুন গংরা।
এ বিষয়ে জোহরা বেগমের পুত্র বিল্লাল হোসেন জানান,আমার নানা কালাচাঁদ বিশ্বাস মৃত্যুর পর ওয়ারেশ সূত্রে এবং ক্রয় সূত্রে ধুলিহর মৌজায় আমার মা ১ একর ১৬ শতক জমি পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি।
কিছুদিন আগে উক্ত জমি থেকে ২০ শতক জমি শেফালী বেগমের নামে আমার মা রেজিস্ট্রি করে দিয়েছে। কিন্তু আমার মামা হারুনার রশিদ ও আমার মামাতো ভাই মামুন একটি জাল কাগজ তৈরি করে উক্ত জমি তাদের দাবি করে জোরপূর্বক দখলে নিচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে আমাদের জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে আমরা সাতক্ষীরা সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটা লিখিত অভিযোগ করেছি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মামুন বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তার বক্তব্য পেলে সেটাও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে।