বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতাধীন চিনিকলগুলোর বিদ্যমান সংকট নিরসন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বন্ধ মিল পুনরায় চালুর বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মিলের উপজাত ব্যবহার করে পণ্যের বহুমুখীকরণ ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর চিনিশিল্প ভবনে বিএসএফআইসির বোর্ডরুমে ‘বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) মিলসমূহের বিদ্যমান সংকট নিরসন ও তা থেকে উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। জিয়া পরিষদের উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ। এছাড়া সংস্থার পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আব্দুল আলীম খান, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার (জুয়েল)সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বিএসএফআইসির পরিচালকবৃন্দ, সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. আবু রায়হান, সহসভাপতি মো. হাসানুজ্জামান এবং করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
সেমিনারে চিনিকলগুলোর বর্তমান সমস্যা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সংকট উত্তরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ বলেন, বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে করপোরেশনের বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, লোকসান কমিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করতে চিনিকলের উপজাত দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের মাধ্যমে করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সমাপনী বক্তব্যে বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান করপোরেশনের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং গৃহীত উদ্যোগগুলো সফল করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
এফপি/অ