নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পল্লী চিকিৎসক হেলাল উদ্দিনের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার হরনী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পল্লী চিকিৎসক হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি যেন কোনোভাবেই আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, এর আগেও হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সালিশ করে তাকে বেত্রাঘাত ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের দাবি, আগের ঘটনায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরবর্তীতে এমন অপরাধ করার সুযোগ পেতেন না তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর একই ধরনের অভিযোগে তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে তার ওষুধের দোকানে ধর্ষণ করা হয়। পাশের দোকানের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন হরনী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের বেলায়েত খলিফার ছেলে। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং আদর্শ গ্রাম বাজারে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই হেলাল উদ্দিনকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এফপি/র