Dhaka, Friday | 28 August 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 28 August 2026 | English
শিরোনাম:

দিনাজপুরে কোরবানির পশুর সংখ্যা চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত ৯ হাজার

প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২:৪৪ পিএম  (ভিজিটর : ৫৭)

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বাণিজ্যিক ও পারিবারিক খামারগুলোতে পুরোদমে প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানির পশু। নিরাপদ খাদ্য ও বিশেষ পরিচর্যায় গরু, ছাগল ও মহিষ মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। প্রাণিসম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত হওয়া এসব পশু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মানিক রহমান জানান, মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিমুক্ত পশু প্রস্তুত করা হয়েছে নবাবগঞ্জে। খামারগুলোতে প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং রোগ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। পশুকে খাওয়ানো হচ্ছে রাসায়নিকমুক্ত দানাদার খাদ্য, ভুসি, খৈল, অ্যাংকর, ভুট্টা, সবুজ ঘাস ও বিশুদ্ধ পানি।

খামারিরা জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপদ উপায়ে পশু লালন-পালন করায় প্রতিটি পশুর মাংসই মানব স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।
গত কয়েক বছরে উপজেলায় নতুন নতুন খামার গড়ে ওঠায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। খামারে কাজ করা শ্রমিকরা জানান, আগে বেকার থাকলেও এখন নিয়মিত আয়ের মাধ্যমে সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং সামাজিক মর্যাদাও বেড়েছে।

এবার নবাবগঞ্জের অনেক খামারেই গরুর পাশাপাশি মহিষও কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। খামারিরা আশা করছেন, ভারতীয় গরু আমদানি না হলে তারা লাভবান হবেন।
দাউদপুর ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামের খামার মালিক ফজর আলী বলেন, “এবার ঈদ উপলক্ষে আমার খামারে ২৫টি গরু ছিল। এরই মধ্যে কিছু বিক্রি করেছি। বাকিগুলো ঈদের মধ্যেই বিক্রি হবে বলে আশা করছি। লাভের পরিমাণও ভালো।”

একই ইউনিয়নের আরেক খামারি আব্দুর রউফ বলেন, “ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ থাকলে আমরা খামারের সব গরু বিক্রি করতে পারবো এবং লাভবান হবো। সরকারের কাছে দাবি, দেশীয় খামারিদের স্বার্থে গরু আমদানি বন্ধ রাখা হোক।”

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, “ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পশুর চাহিদা পূরণ ও খামারিদের লাভবান করতে সরকারি সহায়তায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। খামারিদের নিয়মিত চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য তৈরির কৌশলও হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, উপজেলায় পারিবারিক ও বাণিজ্যিকভাবে প্রায় ৫ হাজার খামার গড়ে উঠেছে। এসব খামারে কোরবানির জন্য প্রায় সাড়ে ২৭ হাজার গরু, ছাগল ও মহিষ প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে নবাবগঞ্জে কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১৯ হাজার। সে হিসেবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯ হাজার পশু বেশি প্রস্তুত রয়েছে।
 
এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝