কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় সৈকতের ঝাউবাগানের ভিতরে গরুর হাট বসতে শুরু করেছে।
সোমবার (১১ মে) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বড়ঘোপ বাজারে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক গরু উঠতে দেখা গেছে। তবে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের ধারণা, আগামী শুক্রবার থেকে বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়বে এবং হাটে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। কুতুবদিয়ায় পর্যাপ্ত কোরবানির পশুর মজুদ থাকলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি গরুর হাট।
স্থানীয় খামারিরা জানান, কুতুবদিয়ায় লালন-পালন করা বড় ও মোটাতাজা গরুর সুনাম দীর্ঘদিনের। একসময় এসব গরু বিভিন্ন জেলার বেপারিরা কিনে বাইরে নিয়ে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে পরিবহন ব্যয় ও বিভিন্ন ধরণের ধোলাই খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ থাকছে না। ফলে গত কয়েক বছর ধরে কুতুবদিয়া থেকে বাইরে গরু সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছরও যদি বাইরের জেলায় গরু পাঠানো না হয়, তাহলে স্থানীয় বাজারে গরুর দাম স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে পারে। এতে ক্রেতারা তুলনামূলক সহনীয় দামে কোরবানির পশু কিনতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা।
ঝাউবাগানের ছায়াঘেরা বড়ঘোপ বাজারে এখনো ভিড় কম হলেও ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাজার জমে উঠবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তবে পরিবেশবাদীরা ঝাউগাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করলেও বনবিভাগের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এফপি/জেএস