নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণে ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে নেত্রকোনা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করে মদন থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করে র্যাব-১৪ এর একটি দল।
স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে সেখানে লেখাপড়া করত। শিশুটির বাবা তার মাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় জীবিকার তাগিদে মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ বোধ করছিল। তার মধ্যে শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। পরে তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।
পরে ২৩ এপ্রিল এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতার এড়াতে বার বার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন অভিযুক্ত আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর। তবে, তাকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এফপি/অ