কুষ্টিয়া জেলায় ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় 'হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এ কার্যক্রম ১১ মে পর্যন্ত চলবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নাসরিন আক্তার হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া কুষ্টিয়া জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল মামুন সাগর এবং দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান লাকিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলায় ৬টি স্থায়ী ও ১ হাজার ৬৮৪টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন টিকাদানকারী ও দুজন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ২ লাখ ৩০ হাজার ৯২৬ জন শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় টিকা দেওয়া হবে। উপজেলা ও পৌরসভাভিত্তিক হিসেবে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৪৫ হাজার, দৌলতপুরে ৪৭ হাজার ৬১৩, মিরপুরে ৩৩ হাজার ৮৯৩, ভেড়ামারায় ২৪ হাজার ৬৯১, কুমারখালীতে ৩৮ হাজার ৮৪৩ এবং খোকসায় ১৪ হাজার ৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া পৌরসভায় ১৯ হাজার ৪৫০, ভেড়ামারা পৌরসভায় ২ হাজার ৬৮৬ এবং কুমারখালী পৌরসভায় ৪ হাজার ৫৪৪ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৫৩৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা ও পৌরসভা ভিত্তিক মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে পর্যায়ক্রমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ জন্য অভিভাবকদের সন্তানদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এফপি/অ