কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক ইটভাটায় ভাঙচুর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মাজগ্রামে অবস্থিত এনএসবি ইটভাটায় এ ঘটনা ঘটে।
রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মুঠোফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন এনএসবি ইটভাটার মালিক আনোয়ার হোসেন আসাদ।
তিনি ওই গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে। আসাদ বলেন, 'আমি ভাটায় ছিলাম না। ম্যানেজার ফোনে জানালো যে, বিকেল সাড়ে ৬ টার দিকে ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ইটভাটায় এসে আমাকে খোঁজেন। না পেয়ে ঘরের জানালা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে গুলিবর্ষণ করেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। ভয়ে এখনও লিখিত অভিযোগ করিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান।
তিনি আরো বলেন, চাঁদা না পেয়ে হয়তো সন্ত্রাসীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও এনএসবি ইটভাটার ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম বলেন, 'আকাশে মেঘ ছিল। কাঁচা ইট ঢাকাঢাকি করছিলাম। তখন পদ্মানদীর দিক থেকে ৭ থেকে ৮ জন ভাটায় এসেছে মালিক আসাদ ও ব্যবস্থাপককে অকথ্য ভাষায় বকাবকি করেন এবং খোঁজেন। সেসময় তাঁদের হাতে শর্টগান, বন্দুক ও লোহার পাইপ ছিল। আমার পরনে লুঙ্গি থাকায় শ্রমিক ভেবে চিনতে পারেনি। এরপর কাউকে না পেয়ে তাঁরা ইটভাটার কার্যালয়ের জানালার গ্লাস, সিসিটিভি ক্যামেরা ও হিরো হোন্ডা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং ৫ থেকে ৭টা ফাঁকা গুলি করে।
তাঁর ভাষ্য, ৭ থেকে ৮ জনের মধ্যে তিন থেকে চারজনের মুখ বাঁধা ছিল। অন্যদের মুখ খোলা ছিল। কিন্তু কাউকে চেনা যায়নি। অন্তত ১০ মিনিট তাঁরা ভাটায় থেকে পদ্মানদীর দিকে চলে যান। সন্ত্রাসীরা চাঁদার জন্য এসেছিল না কাউকে হত্যা করতে এসেছিল তা বোঝা যায়নি। এতে সকলেই আতঙ্কিত।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ফোনে একজন ভাটায় ভাঙচুরের কথা জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এফপি/অ