Dhaka, Sunday | 3 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Sunday | 3 May 2026 | English
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, ৮০ শতাংশই নারী
ইরানের জন্য স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিলো পাকিস্তান
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে হিমালয়ে বাবর আলীর নতুন ইতিহাস
২০ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস
শিরোনাম:

হাতিয়ায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ী ও ছেলের ওপর হামলা

প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৮ পিএম  (ভিজিটর : ৩৯)

দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া পৌরসভা এলাকায় চাঁদা না পেয়ে দোকানে ঢুকে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ব্যবসায়ী হাজী মো. হেলাল উদ্দিন, তাঁর ছেলে ও এক কর্মচারীসহ অন্তত ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে শনিবার রাতে ওছখালী পুরাতন বাজারে ‘মেসার্স হাজী হেলাল এন্টারপ্রাইজ’ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মো. ইসমাইল হোসেন (৪২) কে প্রধান আসামি করে মোট ৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা সবাই স্থানীয় চরকৈলাশ এলাকার বাসিন্দা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত। ব্যবসায়ী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে হেলাল উদ্দিনের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ ও রডের আঘাতে গুরুতর জখম হয়। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর ছেলে মো. শাহেদ উদ্দিন এবং দোকানের কর্মচারী টুটুল দাসও গুরুতর আহত হন।

হামলার সময় দুর্বৃত্তরা দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা লুট করে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল একটি টমটমে করে নিয়ে যায় এবং কয়েকজনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এতে প্রায় ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

আহতদের উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিন জানান, আমি দীর্ঘ অনেক বছর ধরে এই বাজারে ব্যবসা করি। তারা অনেক আগে থেকে বিভিন্ন সময়ে আমার থেকে চাঁদা দাবি করে আসছে। সেদিন আবারও দোকানে এসেছে চাঁদার জন্য। আমি চাঁদা দিতে অপারগ হওয়ায় দোকানে হামলা করে।  তারা যাওয়ার সময় মামলা করলে দোকান জ্বালিয়ে দেওয়ার ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। 

অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা এ ধরনের কোনো হামলা করিনি। বরং সে আমার ছেলেদের মারধর করতে গিয়ে নিজেই ড্রেনে পড়ে গেছে।”

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝