সামনেই ঈদ। উৎসবের এ দিনে সবাই চায় নিজেকে সুন্দর দেখাতে। এজন্য এখন থেকেই ত্বক ও চুলের আলাদা যত্ন নেয়া জরুরি। চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে টক দই দিয়ে চার ধরনের হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে পারেন। যেমন-
১. দইয়ের সঙ্গে মধু আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করুন। চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দই আর মধু চুলকে স্বাভাবিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে। অন্যদিকে অলিভ অয়েল চুলের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এই মাস্ক লাগালে চুল গভীরভাবে কন্ডিশনড এবং উজ্জ্বল হয়।
২. দুর্বল, ভঙ্গুর চুলের জন্য প্রোটিন খুব জরুরি। ডিমে থাকা ন্যাচারাল পেপটাইড চুলের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পূরণ করে। একটি গোটা ডিমের সঙ্গে চার বড় চামচ দই ফেটিয়ে নিন। চুলের ডগা বেশি শুষ্ক হলে, সাদা অংশ বাদ দিয়ে শুধু কুসুম ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগান। শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোবেন।
৩. গরমে ঘামের কারণে মাথার ত্বকে চুলকানি হয়, অনেক সময় ফোলা ভাবও দেখা যায়। তিন বড় চামচ দইয়ের সঙ্গে দুই বড় চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। অ্যালোভেরাতে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম থাকে যা মৃত কোষ মেরামত করে। দইয়ের সঙ্গে মিশে এটি দারুণ কাজ করে। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০-৪৫ মিনিট রাখুন, তারপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক ঠান্ডা রাখে।
৪. যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ছে এবং চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে তারা দইয়ের সাথে মেথি ব্যবহার করতে পারেন। নিকোটিনিক অ্যাসিড ও প্রোটিনে ভরপুর মেথি চুল পড়া কার্যকরভাবে আটকায়। এক বড় চামচ মেথি গুঁড়োর (বা ভেজানো বীজের পেস্ট) সঙ্গে তিন বড় চামচ দই মেশান। বাটিটা ১৫ মিনিট রেখে দিন, যাতে বীজ ফুলে ওঠে এবং এর পুষ্টিগুণ বেরিয়ে আসে। চুল ভাগ করে সরাসরি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ৪০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন।
এফপি/অ