চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপের মাইজপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের মাঝে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির পক্ষে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শিলকূপ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মাইজপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর পরিদর্শনকালে এসব খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
এ সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার লোকমান আহমদ, সাবেক সদস্য সচিব রেজাউল হক চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার আজিম, শীলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, মোহাম্মদ মহসিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাড. শওকত ওসমান, শিলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশেদ নূরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদুল হক, শিলকূপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ডা. ইউনূস, বিএনপি নেতা ওমর কাজী, পৌরসভা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস ছবুর, ফরহাদুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হেফাজ উদ্দীন চৌধুরী, সদস্য সচিব দিদারুল ইসলামসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় পরিদর্শনকালে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ৭টি পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ আমাদের এই খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তাদের ক্ষতি সাপেক্ষে কিছুই না। জাতীয়তাবাদী বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। আমি ও বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি বাঁশখালীর মানুষের সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে থাকবে।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার সময় বাঁশখালী উপজেলার শিলকূপ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মাইজপাড়ার বুদুরুজ মেম্বার বাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ফোরকান, নুর মোহাম্মদ, আবু তাহের, আব্দু ছবুর, টিপু, নাছিমা বেগম, রশিদ আহমদের বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লক্ষাধিক টাকা বলে জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।
বাঁশখালীর শিলকূপে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দিচ্ছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এফপি/জেএস