মুন্সীগঞ্জে মাওয়ায় ঘুরতে আসার কথা বলে ফেরার পথে ৩ অটো চালক মিলে খুন করে অপর এক অটো চালককে। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, ঢাকার কেরানিগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে মোঃ শিমুল (৩৫), একই উপজেলার মজিদ বেরা গ্রামের হালিম মিয়ার ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৩) এবং পশ্চিম বাঘাসুর গ্রামেন মোঃ মোস্তফার ছেলে মোঃ ফারুক (৩৬)। এ ঘটনায় লুন্ঠিত অটো রিক্সাটি উদ্ধার করার হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম শনিবার (৩১ জানুয়ারী) বিকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা এবং নিহত সোহেল রানা সবাই পেশায় অটোরিকশা চালক এবং একে অপরের পূর্ব পরিচিত ছিলেন। গত ২২ জানুয়ারি শ্রীনগরের হাঁসাড়া এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের একটি ব্রিজের নিচ থেকে সোহেল রানার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আসামী আলাউদ্দিন ও তার এক সহযোগী ইকুরিয়া থেকে সোহেলের অটোরিকশাটি ভাড়া নেয়। পথে আব্দুল্লাহপুর থেকে শিমুল তাদের সাথে যোগ দেয়। তারা মাওয়া এলাকায় ঘোরাঘুরি করে ফেরার পথে হাঁসাড়া আলমপুর আন্ডারপাসের কাছে নির্জন স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে সোহেল রানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ব্রিজের নিচে পানিতে ফেলে দিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সুপার আরো জানান, শ্রীনগর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গত ৩০ জানুয়ারি আসামীদের গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানায়, অটোরিকশাটি বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পরে লুণ্ঠিত অটোরিকশাটি আসামী ফারুকের কাছে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। ফারুকের হেফাজত থেকেই অটোরিকশাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় জড়িত অপর এক পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এফপি/জেএস