শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মধ্যে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়, আহতদের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। (২৮ জানুয়ারি) বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে ঝিনাইগাতি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিকেল ৩ টার সময় ঝিনাইগাতি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে 'নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান' আয়োজন করা হয়। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রাসেল, ঝিনাইগাতি থানার ওসি নাজমুল হাসানসহ অন্যান্যরা ইশতেহার পাঠ মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরুর অপেক্ষা করছিলেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই চেয়ারে বসা থাকলেও বিএনপি'র প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল অনুষ্ঠানস্থলে না পৌঁছায় বিএনপি'র আগত নেতাকর্মীরা অপেক্ষায় ছিলেন। ফলে চেয়ারে সবার বসা হয়নি। এসময় চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা থেকে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। একপর্যায়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় অনুষ্ঠানস্থল। ভেঙে ও পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানস্থল। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। নতুন করে আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ করেছে। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রশাসনের কেউ এ মুহূর্তে গণমাধ্যমে কথা বলেননি।
এফপি/জেএস