পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। একেবারেই পাওয়া যাচ্ছেনা বসুন্ধরা গ্রুপের গ্যাস। অন্যান্য কোম্পানীর গ্যাস দু' একটা পাওয়া গেলেও কিনতে হয় বেশি দাম। ১২ কেজি ওজনের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১৪৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত। কয়েক দিন আগেও গ্যাস ভর্তি এসব সিলিন্ডারের দাম ছিলো ১২০০ টাকা। সিলিন্ডার প্রতি বেড়েছে ২'শ থেকে ৪'শ টাকা।
দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে উপকূলীয় এলাকায় বিরাজ করছে এ অবস্থা। এতে অস্বস্থিতে পড়েছে সাধারন গ্রহকরা। বেশি বিপাকে পড়েছেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার হোটেল মোটেল ব্যবসায়ী সহ গ্যাস নির্ভর খাবার হোটেলের মালিকরা। তবে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় বেশি দামে ক্রয় করার কারনে একটু বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।
খুচরা বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্যাস এখন আগের মত সরবরাহ নেই। এখন দু' একটা গ্যাস এনে দোকানে রাখি। তাও আগের চেয়ে বেশি দামে। ফ্রেশ কোম্পানীর গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার দোকান পর্যন্ত আনতে ১৪১০ থেকে ১৪২০ টাকা খরচ হয়। তারপর ব্যবসা। তবে খুব আক্ষেপ করে বলেন, ডিলাররা দাম বেশি রাখে ঠিক আছে, কিন্তু ওদের কাছে ক্যাশম্যামো চাইলে ওরা দেয় না। তাই আমরা বেশি দামে ক্রয় করার প্রমান দেখাতে পারিনা।
ক্রেতা রিয়াজুল করিম বলেন, গত কয়েক দিন যাবত গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। সরবরাহ কম থাকায় গ্যাসের দাম অনেক বেশি। গত সপ্তাহে বসুন্ধরা গ্যাস কিনেছি ১৬'শ টাকা দরে। এখন কিনতে গিয়ে দেখি বসুন্ধরা গ্যাস একেবারেই নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেন, কেউ গ্যাস মজুদ করে সংকট তৈরী করলে ও অতিরিক্ত মূল্য রাখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এফপি/অ