ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে ধারণা করছে জেলা বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, এই সমাবেশ ঘিরে জেলার সর্বত্র নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জনসভা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, আগামী ২২ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে এই বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, তারেক রহমানের এই সফর রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি জানান, সমাবেশের মঞ্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরা হবে, যার মধ্যে বিএনপি জোটভুক্ত দুইজন প্রার্থী রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, জোটগত ঐক্যকে গুরুত্ব দিয়ে দলের চেয়ারম্যান প্রার্থিতা বিষয়ে সমন্বয় করেছেন। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপির যেসব প্রার্থী ছিলেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তারেক রহমান সিলেট থেকে সকাল ১১টায় যাত্রা শুরু করবেন। পথে মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে বিকেল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
সমাবেশকে সফল করতে মঞ্চ নির্মাণ, আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, যানবাহন ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল। এ সময় তিনি অনুষ্ঠানটি সফল করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সহ-সভাপতি এডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম, এ বি এম মমিনুল হক, জসিম উদ্দিন রিপন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপল, প্রচার সম্পাদক মো. মাহিন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাশেদ কবির আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাবেক ভিপি তাজুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিতব্য এই জনসভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এফপি/অ