স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নবিলাস বিদ্যানিকেতনের উদ্যোগে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জনাব ফরিদা আখতার মহোদয়ার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম দোহাজারী রুটে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষিপণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে লাগেজ কোচ চালু করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে গত (১ জানুয়ারি) দুপুরে দোহাজারী রেলস্টেশনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে লাগেজ কোচটির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এখন থেকে নিয়মিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে লাগেজ কোচটি চলাচল করবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য স্বল্প খরচে ও নিরাপদভাবে বাজারজাত করার ক্ষেত্রে এই লাগেজ কোচ সংযোজন একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এর ফলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবে, পরিবহন ব্যয় কমবে এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, স্বপ্নবিলাস বিদ্যানিকেতনের মতো একটি সেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং রেলভিত্তিক কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে এর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর শহীদুল আনোয়ার, স্টোশন মাস্টার ইকবাল হোসেন, স্বপ্নবিলাস বিদ্যানিকেতন এর উদ্যোক্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দীন, এস আই সাইফুল আলম, সিটিজি ইয়ং স্টার সোসাইটির আহবায়ক জয়নুল আবেদীন কায়সার, শিক্ষক ও তরুন সংগঠক আনাস মোহাম্মদ, স্বপ্নবিলাস এর সদস্য জোবায়ের, মোহাম্মদ ফয়সাল, নাবিলা রহমান, নাসরিন সুলতানা, জামিউল আলম, আশরাফুল ইসলাম হাবিব, আরিক, আকলিমা, আরিফ, মিজান, সায়েম, শাহেদ, তানিম, আসিফ প্রমুখ। উক্ত প্রোগ্রামে কৃষকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় এই উদ্যোগকে সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য আয়োজকরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কৃষকরা জানান, লাগেজ ভ্যানটি সকালে হলে এখানকার কৃষিপণ্য পরিবহনে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যেতো। কিন্তু বর্তমানে লাগেজ ভ্যানটি আসবে দুপুরে। ওই সময় এখানকার সবজি সম্পূর্ণ বেচা-বিক্রি হয়ে যায় এবং ব্যবসায়ীরা ট্রাকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরীসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান। অত্র অঞ্চলের কৃষিপণ্য ও যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের জন্য পূর্বের মতো সকালে একজোড়া লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানান।