| শিরোনাম: |

মুন্সীগঞ্জ–৩ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে আগ্রহী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এ সময় মো. মহিউদ্দিনসহ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামানসহ মোট নয়জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মামলার তথ্য গোপন করায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নূর হোসাইন নূরানী ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনিছ মোল্লা এবং মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে দেওয়া বিভিন্ন তথ্যে সামঞ্জস্য না থাকার কারনে সিপিবির প্রার্থী শেখ মো. কামাল হোসেনের মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।
এ আসনে সর্বমোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন- বিএনপি দলীয় প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুমন দেওয়ান, জাতীয় পার্টির মো. আরিফুজ্জামান দিদার, খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের হাজী আব্বাস কাজী ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী শেখ মো. শিমুল।
মনোনয়ন বাতিলের প্রতিক্রিয়ায় মো. মহিউদ্দিন বলেন, “আমি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করব এবং আশা করছি আমার প্রার্থিতা ফিরে পাব।”
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ–১ সংসদীয় আসনে এক শতাংশ সমর্থনকারী ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়ায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তাঁরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু এবং জেলা কমিটির সদস্য মমিন আলী।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী জানান, যাচাই–বাছাইয়ের সময় তাঁদের দাখিল করা মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরের সঙ্গে ভোটার তালিকাভুক্ত তথ্যের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। তবে বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
এফপি/জেএস