পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ছুরিকাঘাতে ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ঝন্টুকে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার মঞ্জু মার্কেট এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলছেন স্বজনরা।
নিহত রেজাউল করিম ঝন্টু (৪৮) ভিটাবাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব আলী খলিফার ছেলে। তিনি স্থানীয় এক প্রবাসীর ম্যানেজার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব আছেন। অপরদিকে অভিযুক্ত রুবেল (৩৫) একই এলাকার মজিবুর রহমান খানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকায় নারিকেল পাড়া সহ একাধিক ঘটনার জের ধরে রুবেলের সাথে ঝন্টুর শত্রুতা ছিল। এ নিয়ে শুক্রবার সকালে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রুবেল রেজাউল করিম ঝন্টুর বুকে প্রথমে আঘাত করে। ঝন্টু পাশের ডোবায় পড়ে গেলে সেখানে গিয়েই রুবেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। উদ্ধার বরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় রুবেলের নারিকেল, সুপারি, মুরগি চুরি সহ নানা অপকর্মে বাঁধা দিয়ে আসছিলেন ঝন্টু। এতে রুবেল ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকবার ঝন্টুকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলো। পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় রুবেল।
ভান্ডারীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. খাইরুল বাশার জানান রেজাউল করিম ঝন্টু নামে এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিলো।
ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকে রুবেল পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এফপি/রাজ