এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর)। সকাল ১১টায় ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথমে ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে তা পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে eduboardresults.gov.bd অথবা educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘রেজাল্ট’ কর্নারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।
অনলাইনে যেভাবে ফল জানা যাবে
পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল জানতে পারবেন। এ জন্য পরীক্ষার নাম, বোর্ড, পরীক্ষার বছর, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এসএমএসে ফল জানার নিয়ম
মুঠোফোনের মাধ্যমে খুদে বার্তা পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। এ জন্য যেকোনো মুঠোফোন থেকে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
এসএমএসের ফরম্যাট হবে:
HSC [বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর] [রোল নম্বর] 2026
উদাহরণ হিসেবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কোনো পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে তাঁকে লিখতে হবে:
HSC DHA 123456 2026
এরপর বার্তাটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিস থেকে সরাসরি ফলাফল সংগ্রহের সুযোগ থাকবে না।
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী ফলাফলে অসন্তুষ্ট হলে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদন গ্রহণ করা হবে ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। আবেদন করতে হবে অনলাইনে।
আবেদনের নিয়ম ও বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন।