Dhaka, Saturday | 24 October 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 24 October 2026 | English
শিরোনাম:

খুলনা শিপইয়ার্ডে নৌবাহিনীর তৃতীয় এলসিটির লঞ্চিং

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম  (ভিজিটর : ৩৬)

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মাণাধীন তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংকের (এলসিটি) মধ্যে তৃতীয়টির লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে (খুশিলি) এলসিটি-১০৪ নামের জাহাজটির লঞ্চিং অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (ম্যাটেরিয়াল) রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে জাহাজগুলো। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা শিপইয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এলসিটিতে ৩৫০ জন সেনাসদস্য, ছয়টি ট্যাংক, ১২টি সাঁজোয়া যান (এপিসি) অথবা ১৮টি সামরিক যান বহন করা সম্ভব হবে। সেনা ও নৌবাহিনীর সমন্বিত উভচর অভিযান পরিচালনা, বিশেষ বাহিনী পরিবহন এবং উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলে ভারী সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরে জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সামরিক ব্যবহারের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং দুর্গম উপকূলীয় এলাকায় রসদ সরবরাহেও এসব জাহাজ কাজে লাগানো যাবে।

নির্মাণাধীন তিনটি এলসিটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বর্তমান বহরের সবচেয়ে বড় এ ধরনের জাহাজ হবে বলে জানিয়েছে শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ। কানাডীয় নকশা অনুসরণ করে বিশেষায়িত এএইচ৩৬ স্টিল দিয়ে জাহাজগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাটারপিলার ইঞ্জিন এবং পশ্চিমা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জেনারেটর ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি দেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পের কারিগরি সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রূপসা নদীর তীরে ৬৯ একর জমির ওপর অবস্থিত খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৫৭ সালে পশ্চিম জার্মানির কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯ সালের ৩ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শিপইয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৮০০টির বেশি জাহাজ ও জলযান নির্মাণ এবং ২ হাজার ৫০০টির বেশি জাহাজ ও জলযান মেরামত করেছে। নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

এলসিটি-১০৪-এর লঞ্চিংকে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জাহাজ নির্মাণশিল্পের অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

এফপি/অ 

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝