গণতন্ত্র ও জনগণের মুক্তির সব সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন ভাষাসৈনিক, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য এম. নূরুল ইসলাম দাদু ভাই। দৃঢ়তা, অটুট মনোবল, সাহস, ধৈর্য ও ব্যক্তিত্বে তিনি ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী একজন রাজনীতিবিদ। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। ৬৪ বছর আগে খুলনায় ভাষা আন্দোলনের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে যাঁরা মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন এম. নূরুল ইসলাম। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খুলনার রাজপথে তাঁর সরব উপস্থিতি ছিল।
বুধবার বাদ জোহর খুলনার পিটিআই জামে মসজিদে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. নূরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে খুলনা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দাদু ভাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের নেতাকর্মীদের কাছে তাঁর অবদান সব সময় অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর টুটপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাদু ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। দোয়া অনুষ্ঠান শেষে তাঁরা মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক সিটি মেয়র ও খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, অ্যাডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, নিজাম উর রহমান লালু, গিয়াস উদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইউসুফ হারুন মজনু, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, রফিকুল ইসলাম শুকুর, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, ইসহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, কাজী মাহবুবুল হক, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, মোস্তফা কামাল, মেশকাত আলী, আব্দুল জব্বার, আসলাম হোসেন, খায়রুল ইসলাম লাল, সিদ্দিকুর রহমান, মোল্লা মুজিবর রহমান, সৈয়দ গাজী, জাকারিয়া লিটন, জাবেদ এলাহী, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, মোহাম্মদ আলী, কামাল উদ্দিন, শামীম খান, আলমগীর ব্যাপারী, আলম হাওলাদার, নুরুল ইসলাম লিটন, শামসুল আলম বাদল, ডা. ফারুক হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মিজানুর রহমান মিজান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পী, সেলিম বড় মিয়া, হাবিবুর রহমান, তরিকুল আলম, কামরুল আলম খোকন, খসরুজ্জামান, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, পারভেজ মোড়ল, খালেক গাজী, মামুনুর রহমান, মীর মো. বাবু, এ আর রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, ইমরান হোসেন, ইয়াকুব আলী, সোহেল আহমেদ, মাহফুজুর রহমান, কবির বিশ্বাস ও মহিউদ্দিন নঈমসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এফপি/মিব