চট্টগ্রামের মিরসরাই-রাসমনি নদীবন্দরের ফোরশোরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ৮টি টিনশেড ঘরসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ০.০৬ একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করা হয়।
বিআইডব্লিউটিএর চট্টগ্রাম দপ্তরের উপপরিচালক নয়ন শীলের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. আরমান ভূঁইয়া, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে দখলদারদের তীব্র বাধার মুখে পড়ে উচ্ছেদকারী দল। বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, এ সময় উচ্ছেদ কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকুর কাচ ভাঙচুর করা হয় এবং এর চালককে শারীরিকভাবে মারধর করা হয়। এছাড়া সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সরকারি কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় অভিযানে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. আরমান ভূঁইয়া দখলদারদের নিজেদের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেন। নির্দেশের পরপরই বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হয় যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে না নিলে পরবর্তী সময়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, নদীবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখা ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করার অংশ হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। উদ্ধার করা ০.০৬ একর জমি পুনরায় দখল রোধে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি কাজে বাধা, চালককে মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এফপি/অ