ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ঈমান আলীর বিরুদ্ধে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ।
সোমবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার কলেজ রোডে অবস্থিত তার নিজ প্রতিষ্ঠানে ভুক্তভোগী জামাল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
এ ঘটনা ও যুবদল নেতার অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী অরণ্য ডিজিটাল এগ্রো এন্ড ডেভেলপার্স লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জামাল হোসেন মুকুল।
এনিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজ বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় ঈমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন (এসডিআর নং ১৪৪২)।
এর আগে গত ৮ আগষ্ট যুবদল নেতা ঈমান আলী, এগ্রো বেসেস ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অরণ্য ডিজিটাল ও জামাল হোসেনের নানা অভিযোগ নিয়ে ফেসবুক লাইভ করে। পৌর যুবদল নেতা ইমান ও ব্যবসায়ী জামালকে নিয়ে চাঁদাবাজি, মামলা, ফেসবুক লাইভ ইত্যাদি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জামাল হোসেন দাবি করেন, বিগত ৫ আগষ্টের পর যুবদল নেতা ঈমান তাকে জিম্মি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৪ দফায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়।গত সপ্তাহে সে আরো টাকা দাবী করলে তিনি দিতে অস্বীকার করলে তার প্রতিষ্ঠান নিয়ে ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন রকমের কুৎসা রটনা করতে থাকে।
এবিষয়ে পৌর যুবদলের আহবায়ক ইমান আলীর ভাষ্য মতে, জামাল হোসেন একজন প্রতারক।অরণ্য ডিজিটালের আগে বরগুনায় মোনামী আল বাংলাদেশ নামে ভূয়া প্রতিষ্ঠান খুলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে বাঞ্ছারামপুরে এসে শেকড় গেড়েছে।বাঞ্ছারামপুরেও একই ঘটনা ঘটাবে। আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, ঈমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়ে আমরা অবগত।বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় ভাবে আলোচনা চলছে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ( তদন্ত) আবু সাইদ বলেন, “ঈমান আলীর বিরুদ্ধে আজ একটি অভিযোগ পত্র পাওয়া গেছে।অরণ্য ডিজিটালের জামলা হোসেনের বিষয়েও ঈমান আলীর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়, বরগুনার মোনামী চ্যাপ্টার সুষ্ঠু ভাবে ক্লোজ করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা অরণ্য ডিজিটাল এগ্রো এন্ড ডেভেলপার লিমিটেড বাঞ্ছারামপুরে গত ৬ বছর ধরে কৃষি ভিত্তক উন্নয়ন প্রকল্প, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষক দলের আহবায়ক কাবিল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এফপি/ফ