Dhaka, Monday | 3 August 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 3 August 2026 | English
শিরোনাম:

এখনও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার স্থান-তারিখ অনিশ্চিত

প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম  (ভিজিটর : ৩৮)

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে থমকে যাওয়া প্রত্যক্ষ আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিকেলে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রেখে নতুন করে আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিলেও তেহরানের পক্ষ থেকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ও আলোচনার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করতে ইসলামাবাদ ও দোহা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওয়াশিংটন-তেহরানের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো পর্যায়ভিত্তিক আলোচনা চলছে না। তবে মধ্যস্থতাকারী সূত্রে জানা গেছে, আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে ইসলামাবাদ এবং দোহাকে বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যে তেহরান সফরে যেতে পারেন। দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা আদান-প্রদান হওয়ায় চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কোনো শুভ সমাধানের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল।

গত ১৭ জুন দুই দেশ ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, যার অধীনে ৬০ দিনের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচিসহ একাধিক জটিল বিষয়ের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত এই সমঝোতার ভবিষ্যৎকে কিছুটা অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দিয়েছে। প্রত্যক্ষ আলোচনায় বসার আগে প্রথম ধাপে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ন্যূনতম বোঝাপড়া তৈরি করা যায়। তবে প্রথম পর্বের এই প্রত্যক্ষ আলোচনায় পরমাণু বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকছে না।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে যুদ্ধবিরতি জোরদার করা এবং গত ৯ জুলাইয়ের পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়া। পাকিস্তান ও কাতারের তৈরি করা একটি ডি-এসকেলেশন ফর্মুলা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি ইরান পুনরায় উন্মুক্ত করে দেবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে এবং চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ চলাচলে কোনো ট্রানজিট ফি নেওয়া হবে না। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননে কার্যকর যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হিসেবে স্থান পাবে।


এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝