ভারতের নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে গত ১০ বছরে ভারতে ১৫২ বার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে একজনও দোষী সাব্যস্ত হয়নি। এই দাবি করেছেন দেশটির লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
বুধবার (২২ জুলাই) দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব কথা বলেন রাহুল। কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিরুদ্ধে দেশের শিক্ষার্থীদের হতাশ করার অভিযোগও তুলেছেন রাহুল।
ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি’র বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে হাতে কালোব্যাজ (রিবন) পরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন রায়বেরেলির সংসদ সদস্য। তার অভিযোগ, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন কারচুপি ও দুর্নীতির কবলে পড়েছে। এর মাশুল গুনতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে। তার অভিমত, ‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, যা একসময় বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে পরিচিত ছিল, তা আজ কারচুপি-দুষ্ট এক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।’
পরীক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তার প্রশ্ন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা কী এমন অন্যায় করেছে? কেন নিরাপত্তা বাহিনী তাদের দিকে অস্ত্র তাক করছে, তাদের মারধর ও লাঞ্ছিত করছে? ফলে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। এই পদে থাকার যোগ্যতা তার নেই।’
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম এবং এই ইস্যুতে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি তুলে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থক জানিয়ে গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে গ্রেফতার হন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের মতো নেতানেত্রীরা। যদিও পরে ছাড়া পেয়েছেন রাহুলসহ বাকিরা।
এফপি/ফ