Dhaka, Saturday | 18 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 18 July 2026 | English
বাংলাদেশে চলবে বুলেট ট্রেন, জানালেন চীনা রাষ্ট্রদূত
আজ থেকে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু
বর্ণাঢ্য রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল
আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নতুন পে স্কেলের গেজেট
শিরোনাম:

মেঘালয়ের কোল ঘেঁষে সুনামগঞ্জের লাকমাছড়া

প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম আপডেট: ১৮.০৭.২০২৬ ৫:১৩ পিএম  (ভিজিটর : ১৫)

মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাকমাছড়া এখন নতুন পর্যটন আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
 
স্বচ্ছ পানির ছড়া, সবুজ পাহাড় আর মেঘ-কুয়াশার খেলা দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি-ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকেও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছুটির দিনগুলোতে লাকমাছড়ার তীরজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ পানিতে পা ভেজাচ্ছেন, কেউ আবার পাহাড়ের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তুলছেন।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা রাকিব হাসান বলেন,
 
“সোশ্যাল মিডিয়ায় লাকমাছড়ার ভিডিও দেখে এসেছি। এত সুন্দর জায়গা যে বাংলাদেশে আছে তা আগে জানতাম না। পাহাড়, পানি আর ঠান্ডা বাতাস মিলে একদম মেঘালয়ের ফিল পাওয়া যাচ্ছে। সাদাপাথর-জাফলং অনেক দেখেছি। কিন্তু লাকমাছড়ার পরিবেশটা একদম নিরিবিলি। খরচও কম। বন্ধুদের নিয়ে ১ দিনের ট্যুরের জন্য বেস্ট জায়গা।”

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদির মিয়া বলেন,
 
“আগে এখানে কেউ আসতো না। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে। আমাদের ছোটখাটো চা-নাস্তা, নৌকার ব্যবসা হচ্ছে। তবে পর্যটকরা যেন ময়লা না ফেলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”

তাহিরপুরের আরেক বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন,
 
“আমাদের এলাকা এভাবে পরিচিতি পাবে ভাবিনি। সরকার যদি রাস্তাঘাট আর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে দেয়, তাহলে আরও বেশি পর্যটক আসবে। আমাদেরও আয় বাড়বে।”

যেভাবে যাবেন সুনামগঞ্জ শহর থেকে তাহিরপুর হয়ে সীমান্তবর্তী লাকমাছড়া যেতে হয়। বর্ষা ও শীতের শুরুর দিকে পানির স্বচ্ছতা ও পাহাড়ের রূপ সবচেয়ে বেশি থাকে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

লাকমাছড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার পাশাপাশি পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে উঠলে এটি সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের পাশাপাশি আরেকটি বড় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এফপি/ফ 
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: news@thefinancialpostbd.com, ad@thefinancialpostbd.com, hr@thefinancialpostbd.com
...
🔝