পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার জগন্নাথকাঠী বন্দর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী উত্তম মন্ডলের বিরুদ্ধে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অমিত দত্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন স্থানীয়দের দাবি, একাধিকবার জরিমানা করা হলেও তিনি এ ধরনের মাছ বিক্রি বন্ধ করেননি।
বুধবার বাজার থেকে উপজেলার মৈশানী এলাকার মাসুদ গাজী এক কেজি চিংড়ি মাছ কিনে বাড়ি নিয়ে যান। পরে মাছ কাটার সময় তার মেয়ে দেখতে পান, মাছের ভেতরে জেলি ভর্তি। বিষয়টি নিয়ে তিনি মাছসহ বাজারে ফিরে আসেন।
সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে ব্যবসায়ী উত্তম মন্ডল আড়ত ছেড়ে চলে যান। তার মোবাইল নম্বরে কল দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বাজারে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করেন।
জানা গেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা সিলিকা পাউডার ও ভাতের মাড় মিশিয়ে তৈরি জেলি সিরিঞ্জের মাধ্যমে চিংড়ির শরীরে ঢুকিয়ে ওজন বাড়ায়। এসব রাসায়নিক দীর্ঘদিন শরীরে গেলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, "এ ধরনের রাসায়নিক জেলি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে নানা জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত জানান, ওই ব্যবসায়ীকে এর আগে সতর্ক করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুনরায় এমন কাজে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফপি/সা