Dhaka, Wednesday | 8 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 8 July 2026 | English
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী নেদারল্যান্ড
বিনোদন দুনিয়ায় চমক, এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে হচ্ছে সিনেমা
ঢাকাসহ ১৯ জেলার জন্য সতর্কবার্তা, ঝড়ের শঙ্কা
১৬ জেলায় বন্যার আভাস
শিরোনাম:

বাসযোগ্য শহরের তালিকায় তলানিতে ঢাকা

প্রকাশ: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ পিএম  (ভিজিটর : ৫)
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বৈশ্বিক বাসযোগ্যতা সূচকে ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১। ঢাকার চেয়ে কম বাসযোগ্য হিসেবে তালিকার শেষ দুই স্থানে রয়েছে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি (১৭২তম) ও সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক (১৭৩তম)। গত বছরের সূচকেও বাংলাদেশের অবস্থান একই ছিল।

প্রতি বছরের মতো এবারো বিশ্বের বাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো—এ পাঁচটি প্রধান মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের ওপর জরিপ চালায় ইআইইউ। এসব সূচকের ভিত্তিতে শহরগুলোর সামগ্রিক বাসযোগ্যতার মান নির্ধারণ করা হয়।

সূচকটি তৈরি করা হয়েছে ১ থেকে ১০০ স্কোরের ভিত্তিতে। স্কোর ৮০-এর ওপরে হলে গ্রহণযোগ্য আর ৪০-এর নিচে হলে সে শহরকে অসহনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৪২ স্কোর নিয়ে ঢাকা অসহনীয় শহরের চেয়ে সামান্য ভালো আছে।

এবারের তালিকায় ইউরোপের আধিপত্য বজায় থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার চারটি শহর শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছে। বাসযোগ্যতার দিক থেকে সবচেয়ে ভালো ১০টি শহর হলো ডেনমার্কের কোপেনহেগেন, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, সিডনি ও অ্যাডিলেড, সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও জেনেভা, জাপানের ওসাকা, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার ও জাপানের টোকিও।

কোপেনহেগেন: টানা দ্বিতীয়বারের মতো তালিকার শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে ডেনমার্কের রাজধানী। নিরাপত্তা, শিক্ষা ও উন্নত অবকাঠামো সূচকে শতভাগ নম্বর পেয়েছে শহরটি। সংস্কৃতি ও পরিবেশের ক্ষেত্রেও এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা। শহরটির বাসিন্দাদের মতে, কোপেনহেগেনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর সাইকেলবান্ধব পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সহজ জীবনযাপন। উন্নত অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং শিক্ষাব্যবস্থার জন্য শহরটি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে।

ভিয়েনা: গত বছর কোপেনহেগেনের কাছে শীর্ষস্থান হারালেও স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় নিখুঁত স্কোর নিয়ে ভিয়েনা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। শহরটির সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এর ধীরস্থির জীবনযাত্রা ও যাতায়াতের সহজ উপায়ের মধ্যে। বাসিন্দাদের মতে, উন্নত গণপরিবহন, হাঁটার উপযোগী রাস্তা, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও শান্ত পরিবেশ শহরটিকে বিশেষ করে তুলেছে। ব্যস্ত নগর হলেও এখানে ধীরগতিতে জীবন উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। “

মেলবোর্ন: সংস্কৃতি ও পরিবেশ সূচকে ৯৬ স্কোর পেয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সিডনিকে পেছনে ফেলে মেলবোর্ন রয়েছে তৃতীয় স্থানে। মেলবোর্ন একটি বড় শহর হলেও এর প্রতিটি এলাকার রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, খাবার, শিল্পকলা ও জীবনধারা। মেলবোর্নকে তাই অনেকে ‘বড় শহরের মধ্যে ছোট শহরের অনুভূতি’ বলে বর্ণনা করেন। পার্ক, ক্যাফে, বইয়ের লাইব্রেরি, স্ট্রিট আর্ট এবং বহুজাতিক সংস্কৃতি মেলবোর্নকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় শহরে পরিণত করেছে।

সিডনি: স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার নিখুঁত ব্যবস্থার ওপর ভর করে সিডনি রয়েছে চতুর্থ স্থানে। তবে বাসিন্দাদের মতে, প্রকৃতি ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিক নগরজীবনের সমন্বয় এখানকার প্রধান আকর্ষণ। নিউ সাউথ ওয়েলসের কর্মসংস্থান ও পর্যটনমন্ত্রী স্টিভ ক্যাম্পার বলেন, ‘সিডনির আসল রূপ দেখতে হলে অপেরা হাউজ বা বন্ডি বিচের বাইরে গিয়ে “‍বারউড”-এর মতো মাল্টিকালচারাল এলাকায় যাওয়া উচিত।’

জুরিখ: ২০২৫ সালে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এবার জুরিখের অবস্থান পঞ্চম। তবে উন্নত নগর ব্যবস্থা ও প্রকৃতির মেলবন্ধন একে এখনো সেরা করে রেখেছে। পুরো শহরে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি ঝরনা বা ফাউন্টেন রয়েছে, যেখানকার পানি সরাসরি পান করা যায়। এছাড়া শহরের নিখুঁত পরিচ্ছন্নতাও জুরিখের বাসযোগ্যতার বড় কারণ।

এফপি/সা

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝