ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ভুয়া ডিগ্রিধারী ও চিকিৎসক সেজে প্রতারণার দায়ে মো. শহীদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার উপজেলা সদরের নূরজাহান শপিংমলে অবস্থিত 'হাজী মুখলেছুর রহমান চক্ষুসেবা কেন্দ্র ও চশমাঘর'-এ অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত মো. শহীদুল্লাহ কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার শামসুল আলম শিকদারের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুরে নূরজাহান শপিংমলে অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া।
এ সময় ভুয়া চিকিৎসক শহীদুল্লাহর প্রয়োজনীয় কোনো চিকিৎসা সনদ বা বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অভিযানে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, শহীদুল্লাহ দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এবং কুমিল্লার হোমনা এলাকায় নিয়মিত রোগী দেখতেন।
এমনকি বিভিন্ন চক্ষু হাসপাতালে অপারেশনের নামে রোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আত্মসাতেরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভ্রাম্যমাণ অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদ মিয়া, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান, এসআই লুতফুর রহমান এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া কালেরকন্ঠ কে বলেন, "প্রথমবার বলে শুধু জরিমানা করেই রেহাই দিলাম।তার চেম্বার বন্ধ থাকবে। ভবিষ্যতে যদি ফের রোগী দেখে তখন জেল-জরিমানা দুটোই হবে।
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের প্রতারকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভুয়া চিকিৎসকদের অপতৎপরতা রুখতে স্থানীয়ভাবে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এফপি/সা