Dhaka, Monday | 8 June 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 8 June 2026 | English
সড়ক বাতির বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান রাসিক প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’
এসএসসি পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই : শিক্ষামন্ত্রী
সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন
১২ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
শিরোনাম:

পাবনা পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম  (ভিজিটর : ১২)

পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহক হয়রানি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং দুর্নীতির অভিযোগে সহকারী পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন ও ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর ইমামুল হোসেনের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া পাসপোর্টের আবেদন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। তাদের দাবি, দালালচক্রের সঙ্গে অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে। এ অবস্থার অবসান এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আবেদন না করলে নানা অজুহাতে আবেদন ফেরত দেওয়া, বারবার সংশোধনের কথা বলা, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো এবং অসহযোগিতামূলক আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

কর্মসূচির একপর্যায়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এক গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগে এক দালাল এবং অফিসের এক কর্মীর মধ্যে কাগজপত্রে সিল দেওয়ার বিষয় নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি সুস্পষ্ট কোনো জবাব দেননি বলে অভিযোগ করেন উপস্থিতরা।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পাসপোর্ট অফিস প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন এবং অফিস ঘেরাও করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এদিকে, সম্প্রতি পাবনা পাসপোর্ট অফিসে সাংকেতিক চিহ্ন, নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানা, হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দালালচক্রের অবৈধ লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিশেষ কিছু আবেদনপত্র সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে শনাক্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয় এবং এর বিনিময়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিটি পাসপোর্ট আবেদনে সরকারি ফি ছাড়াও ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়। এ অর্থ বিভিন্ন স্তরে ভাগাভাগি হয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর ইমামুল হোসেন। তিনি বলেন, “আমি কোনো সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার কোনো প্রমাণ থাকলে তা উপস্থাপন করা হোক।”

পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ কিংবা মানববন্ধনের বিষয়ে আমি আগে অবগত ছিলাম না। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অফিসের নিয়মের বাইরে আমরা কোনো কাজ করি না।”

তিনি আরও বলেন, অতীতে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এক আউটসোর্সিং কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা পাসপোর্ট অফিসে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। তারা বলেন, দেশের নাগরিকরা যেন কোনো প্রকার অতিরিক্ত অর্থ বা হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পেতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
 
এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝