রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের প্রকাশ্যে ফাঁসি চেয়ে এ বিষয়ক কোরআনের আয়াত সংসদে কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন ইসলামি বক্তা ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে রাজশাহীর সিটি বাইপাস রোডে অনুষ্ঠিত এক তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও ‘তানভির টিভি-২৪’ নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রচার করা হয়েছে। বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, ‘দেশের যে আইন আছে, সেই আইনে রামিসা, আছিয়া, তানিয়ার বিচার হবে না। এই দেশে যদি সত্যিই ধর্ষণের বিচার করা লাগে তাহলে কোরআনে সুরা আন-নূরের আয়াতের আলোকে বিচার করা লাগবে’। তিনি বলেন, ‘এই আয়াতটা সংসদে কার্যকর করে দেন। তাহলে বাংলাদেশের যুবকদের ধর্ষণ তো দূরের কথা স্বপ্নদোষও বন্ধ হয়ে যাবে।’
আমির হামজা বলেন, ‘এটা কোন ওয়াজ মাহফিল, তফসিরুল মাহফিল না। সংসদে গলাবাজি করা না। কোন মঞ্চে বক্তব্য, বিবৃতি কিংবা মানববন্ধন করা না। ধর্ষণ জীবনেও বন্ধ হবে না, যদি শরিয়তের আইন বাংলাদেশে কায়েম না করা যায়। আমির হামজা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনারও একটা মেয়ে আছে। এই রামিসাকেও নিজের মেয়ের মতো মনে করেন তো? রামিসার জায়গায় যদি আপনার মেয়েটা হতো। তাহলে বাংলাদেশে কী অবস্থা হয়ে যেত এতক্ষণ? আমার মনে হয় ধর্ষক যেখানেই থাকুক তাকে ধরে নিয়ে এসে ১৪ টুকরা করে ফেলতেন’।
আমির হামজা বলেন, ‘আমিও বাবা। আমারও তিনটা মেয়ে আছে। রামিসার দিকে তাকালে আমার মেজ মেয়ের কথা মনে হচ্ছে।’ তিনি ধর্ষককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মানুষ এত নীচে নামে কী করে! আপনি কোন রুচিতে পাঁচ-ছয় বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করলেন। আবার মেরে ফেললেন।’ এ সময় আমির হামজা বলেন, ‘মানুষ নামের এই জানোয়ার গুলোর বিচার শুধু জেল দিয়ে, জরিমানা দিয়ে হবে না। এদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া লাগবে।’
এফপি/জেএস