Dhaka, Saturday | 17 October 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 17 October 2026 | English
শিরোনাম:

নারায়ণগঞ্জে চুন কারখানায় জোবিঅ-বন্দর কর্তৃপক্ষের অভিযান, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম  (ভিজিটর : ১২৮)
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে পরিচালিত একটি চুন কারখানায় আবারও অভিযান চালিয়েছে জোবিঅ-বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের পাশাপাশি একজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সম্প্রতি আন্দিরপাড় এলাকায় নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া কলেজ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার সামনে বোস্তল হাইওয়ে রোডে অবস্থিত ওই কারখানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এটি একই কারখানায় সপ্তম দফা অভিযান বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযানকালে কারখানাটিতে চারটি চুনের ভাট্টি ও অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ৫০ বস্তা চুন পাওয়া যায়। এ সময় কারখানার ভেতর থেকে দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের একজন আবু ফয়সাল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রবিউল ওরফে রবিকে ঘটনাস্থলে ডাকেন। পরে রবিউল ঘটনাস্থলে এসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ও বন্দর থানা পুলিশের উপস্থিতিতে জোবিঅ-বন্দরের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ তাবাসসুম হাসান তানিশা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ প্রাপ্ত আলামত ও প্রমাণের ভিত্তিতে আবু ফয়সালকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একইসঙ্গে পলাতক রবিউলের বিরুদ্ধে সাধারণ মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অবৈধ চুন কারখানার ভবনের কলাপসিবল গেট সিলগালা করা হয় এবং এক্সকাভেটর দিয়ে ভবনের দেয়াল ও প্রধান ফটকের অংশ ভেঙে দেওয়া হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, জমির মালিককে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার জন্য ফোন করা হলেও তিনি ঢাকায় অবস্থানের কথা জানিয়ে সেখানে আসেননি।

জোবিঅ-বন্দর সূত্রে জানা গেছে, একাধিকবার অভিযান পরিচালনার পরও অভিযুক্তরা দুই-তিন দিন কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যেই পুনরায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে চুন কারখানাটি চালু করে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চুন কারখানার মালিক মো. আল মামুন শিকদার, জমির মালিক মো. আব্দুল মোতালিব মিয়া এবং তার ছেলে শাকিল পারভেজ রনি। এছাড়া রবিউল ওরফে রবি, মিরাজ হোসেন, মাসুম, আলামিন ও মফিজুলসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সিস্টেম লস কমানো ও অবৈধ গ্যাস ব্যবহার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট চুন কারখানার মালিক, জমির মালিক এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক লিগ্যাল বিভাগ বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছে জোবিঅ-বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এফপি/এমআই
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝