Dhaka, Tuesday | 12 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 12 May 2026 | English
হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৯ শিশুর মৃত্যু
দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
শেষ দিনের শুরুতেই ফিরলেন মুশফিক
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫২৩৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী
শিরোনাম:

নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহলে বদলে গেল চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তার চিত্র

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম  (ভিজিটর : ১০)

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত ও নিয়মিত টহলের ফলে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে এই এলাকায় কোনো ধরনের জলদস্যুতা বা সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত এই এলাকাটি এখন তুলনামূলকভাবে সম্পূর্ণ নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বহির্নোঙরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে এই সময়ে কোনো ধরনের দস্যুতা, চুরি বা হামলার ঘটনা রেকর্ড হয়নি। এটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে সমন্বিত কার্যক্রম। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এবং বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের সক্রিয় ভূমিকা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে জাহাজে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার ব্যবহারও নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হয়েছে।

গত বছর একই এলাকায় দস্যুতার কয়েকটি ঘটনা ঘটলেও চলতি বছরে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর প্রয়োগের কারণে অপরাধমূলক কার্যক্রম কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি বছর গড়ে চার হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি জাহাজ পণ্য পরিবহন করে। এসব জাহাজের বড় অংশ বহির্নোঙরে অবস্থান করে কার্যক্রম সম্পন্ন করে। তাই এই এলাকার নিরাপত্তা দেশের সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালু থাকলে ভবিষ্যতে এই সাফল্য আরও স্থায়ী হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর এলাকা এখন তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় পৌঁছেছে, যা দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝