Dhaka, Wednesday | 6 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 6 May 2026 | English
শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
মোদিকে অভিনন্দন জানালেন ট্রাম্প
লিমন-বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়
ঈদ যাত্রা সহজ করতে যেসব রুটে চলবে স্পেশাল ট্রেন
শিরোনাম:

পীরগাছায় বাড়িতে রাখা আলুতে পচন:লোকসান চরমে

প্রকাশ: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম  (ভিজিটর : ৫)

রংপুরের পীরগাছায় আলুর উৎপাদন অনুযায়ী কোল্ড ষ্টোরেজ ব্যবস্থা না থাকায় বাড়িতে আলু রেখে এখন বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন কয়েক শতাধিক আলু চাষী।

বাড়িতে রাখা আলুর বেশির ভাগই পচে নষ্ট হয়ে গেছে। ফেলে দেওয়া হচ্ছে রাস্তার ধারে। গন্ধ ছড়াচ্ছে এলাকাজুড়ে। ফলে পচা আলু নিয়ে হতাশায় দিন কাটছে কৃষকদের। কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। অথচ এখন বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকায়।

জানা গেছে, পীরগাছা উপজেলায় ৮টি কোল্ড ষ্টোরেজ রয়েছে। তার মধ্যে কামরুন্নাহার কোল্ড ষ্টোরেজ, হোমল্যান্ড কোল্ড ষ্টোরেজ, অপু মুনশি কোল্ড ষ্টোরেজ, সুপ্রীম সীড কোল্ড ষ্টোরেজ, কোহিনুর কোল্ড ষ্টোরেজ, শাহ আমানত কোল্ড ষ্টোরেজ, এবং করিম উদ্দিন ভরসা কোল্ড ষ্টোরেজসহ ৮টি প্রায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা গেছে। এছাড়াও জেলার বাইরের কোল্ড ষ্টোরেজে কিছু আলু রাখা হলেও সিংগ ভাগ আলু রয়ে গেছে কৃষকদের বাড়িতে। বাজারে দাম কম থাকায় বর্তমানে বাড়িতে রাখা আলু পচে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দাম বৃদ্ধির আশায় বাড়িতে আলু রেখে চরম লোকসানে পড়ছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১১ হাজার ১৫৩ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। যার মধ্যে উপজেলার ৮টি কোল্ড ষ্টোরেজ এ ৮০ হাজার সংরক্ষণ এবং ১২৭ মেট্রিক টন আলু বিদেশে রপ্তানী করা হয়েছে। বাকি আলুর কিছু বাইরের জেলায় কোল্ড ষ্টোরেজে রাখা, জমিতেই কিছু বিক্রি এবং কিছু বাড়িতে রাখা হয়েছেঅ

উপজেলার পারুল ইউনিয়নের বিরাহীম গ্রামের আলু চাষী নুরনবী মিয়া বলেন, কোল্ড ষ্টোরেজ ভাড়া বেশি। কিছু আলু ষ্টোরে রেখে বাকিগুলো বাড়িতে রাখা হয়েছে। দাম বৃদ্ধি পেলে বিক্রি করা হবে। এখন আলু গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। দাম না থাকায় বিক্রি করাও যাচ্ছে না। বাড়িতে রেখে দিন দিন পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। লাভের ধন এখন পোঁকায় খাচ্ছে।

পীরগাছা সদরের অনন্তরাম গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, পীরগাছার ষ্টোরগুলোতে জায়গা নাই। বাইরে নিতে গেলে খরচ বেশি পড়ে। তাই বাড়িতে আলু রেখে এখন মহাবিপদ। মৌসুমের শুরুতেই যে দাম এখন তার চেয়ে অনেক কম। এছাড়াও আলুতে পচন ধরায় লাভের চেয়ে লোকসান বেশি হচ্ছে।

পীরগাছা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্ভিৃদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, মাচা পদ্ধতিতে বাড়িতে কিছুদিনের জন্য আলু রাখা গেলে দীর্ঘদিন রাখা ঠিক নয়। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টির কারণে আলুতে পচন ধরে। তবে মৌসুমের শুরুতেই আলু বিক্রি বা কোল্ড ষ্টোরেজ করা উত্তম।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, সঠিক নিয়মে আলু রাখলে ২/৩ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে মৌসুমে সকলে কমবেশি আলু বিক্রি করে দিয়েছে। সঠিক ভাবে আলু রাখতে না পারার কারণে আলুতে পচন ধরেছে। তাই আলু বেশি দিন বাড়িতে রাখা ঠিক না।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝