Dhaka, Monday | 4 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 4 May 2026 | English
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১৭ জনের র্মৃত্যু
বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা
কৃষকের স্বপ্ন এখন পানির নিচে
ক্রীড়া কূটনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন জাইমা রহমান
শিরোনাম:

নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘হাম’ আতঙ্ক: বিশেষ ওয়ার্ডেও রোগীর চাপ

প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম  (ভিজিটর : ৭)

বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ‘হাম’ রোগের প্রকোপ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের রোগীদের জন্য খোলা বিশেষ ওয়ার্ড এখন রোগীতে ঠাসা। গত দুই সপ্তাহ ধরে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবায় হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৪ মে) সরেজমিনে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, হামের রোগীদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ ওয়ার্ডে শিশু, নারী ও পুরুষ মিলিয়ে সব বয়সী রোগীর ভিড়। অনেক রোগীকে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে মৌসুমি জ্বর ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষ চিকিৎসার জন্য নির্ভর করেন এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর। কক্সবাজার সদর হাসপাতাল দূরে হওয়ায় দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

হামের ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী ছৈয়দ আলম বলেন, তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। শরীরের অবস্থা খুব খারাপ। ওয়ার্ডে জায়গা কম, তবুও সবাই কষ্ট করে চিকিৎসা নিচ্ছি।

রোগীদের স্বজনরা জানান, ডাক্তার ও জনবল সংকট থাকলেও নার্সরা আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তারা বলেন, নার্সরা দিন-রাত কাজ করছেন। ক্লান্ত হলেও রোগীদের দেখভালে কোনো অবহেলা করছেন না।

হাসপাতালের একাধিক নার্স নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় তাদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়েছে। তবুও তারা সাধ্যমতো রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবুল মনজুর বলেন, কয়েকদিন আগে হামের রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। মাঝখানে কিছুটা কমেছিল, কিন্তু আবারও রোগী বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাম নিশ্চিত করতে রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্ট আসার পর প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টিকাদান কর্মসূচি জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্তবর্তী দুর্গম এ অঞ্চলে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে এমন সংক্রামক রোগের বিস্তার ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝