Dhaka, Monday | 4 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 4 May 2026 | English
বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা
কৃষকের স্বপ্ন এখন পানির নিচে
ক্রীড়া কূটনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন জাইমা রহমান
হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ১০ শিশুর
শিরোনাম:

কৃষকের স্বপ্ন এখন পানির নিচে

প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম  (ভিজিটর : ২৮)

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কৃষকের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার একর জমির ধান এখন পানির নিচে ভাসছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৭৬৮ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ২১ হাজার কৃষক। এদিকে গত শুক্রবার ও শনিবার লাগাতার বৃষ্টিতে কিশোরগঞ্জের বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শনিবার কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩  দশমিক ০৬ মিটার, যা আগের দিনের তুলনায় ৫ সেন্টিমিটার বেশি। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২ দশমিক ৭৩ মিটার, বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার। অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ২ দশমিক ৪৫ মিটার, যা ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, এরই মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। ফলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। শুক্রবার রোদ থাকলেও শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে খলায় রাখা ধান শুকাতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ধান শুকাতে না পারলে ধানে পচন ধরবে।

অন্যদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) তথ্যমতে, টানা বৃষ্টিতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৬ হাজার ৭৬৮ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে ইটনা উপজেলাতেই প্রায় ২ হাজার ৬০০ হেক্টর বোরোধানের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আগেই দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, গত শনিবার দুপুর পর্যন্ত হাওরের মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে, ৬ হাজার ৭৬৮ হেক্টর জমি পানির নিচে রয়েছে। এরমধ্যে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি। এতে হাওরাঞ্চলের ফসলে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এফপি/অ

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝