Dhaka, Wednesday | 22 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 22 April 2026 | English
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খাবারের বাজেট পাঁচ গুণ কমলো
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হাতঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা
সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া বাস ভাড়া বাড়বে না
শেষ ওয়ানডেতে ডাক পেলেন তানজিম সাকিব
শিরোনাম:

নালিতাবাড়ীতে মাদরাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ: তদন্তের নির্দেশ

প্রকাশ: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ পিএম  (ভিজিটর : ৫)

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় নঈমী দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এই অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের পরিদর্শক এইচ এম শামিম আহমেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে শেরপুর জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত মাদরাসাটিতে কোনো বিজ্ঞান বিভাগ চালু ছিল না। অথচ সুপার আব্দুস সামাদ বিজ্ঞান বিভাগ চালু আছে বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ল্যাব সহকারী পদে মারজিয়া জাহান মীমকে (ইনডেক্স নং: M0062361) নিয়োগ দেন। মারজিয়া জাহান ওই মাদরাসারই আইসিটি শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামানের মেয়ে।

সরেজমিনে জানা গেছে, মাদরাসায় বিজ্ঞান বিভাগের অনুমোদন আসে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। অথচ মারজিয়া জাহানকে ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকেই এমপিওভুক্ত করে বেতন দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে মাদরাসায় অনুমোদিত কম্পিউটার ল্যাব না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোঃ আব্দুল হান্নান মিয়াকে (ইনডেক্স নং: M0062573) ল্যাব অপারেটর পদে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ব্যক্তি ও অভিভাবকরা জানান, সুপার আব্দুস সামাদ যোগদানের পর থেকে মাদরাসায় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি।

নতুন শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার নামে মোটা অংকের টাকা দাবি এবং শিক্ষকদের সাথে অশোভন আচরণ। মাদরাসার সাধারণ তহবিল তছরুপ এবং ইবি প্রধান নিয়োগে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন। অভিযোগকারীরা আশঙ্কা করছেন, অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ করে সুপার এই তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

নালিতাবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অ:দা:) চাঁন মিয়া বলেন, “বিজ্ঞান বিভাগ বা অনুমোদিত কম্পিউটার ল্যাব না থাকলে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক (ময়মনসিংহ অঞ্চল) এইচ এম শামিম আহমেদ জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, সুপারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে গত ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর পুনরায় ইমেইল ও ডাকযোগে অভিযোগ পাঠানো হলে অধিদপ্তর নড়েচড়ে বসে। এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্তদের এমপিও বাতিলসহ সুপারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝