চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগেই ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে ২-১ গোলে জিতলেও প্রথম লেগের ২-০ ব্যবধানের হারের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে কাতালানদের। ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে খেলতে না পারলেও সতীর্থদের এমন বিদায় মানতে পারছেন না রাফিনহা। ক্ষুব্ধ এই ব্রাজিলিয়ান তারকার দাবি, রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বার্সেলোনাকে রীতিমতো ‘লুট’ করা হয়েছে।
দলকে সমর্থন জোগাতে সতীর্থদের সঙ্গেই মাদ্রিদে গিয়েছিলেন রাফিনহা। কিন্তু ডাগআউটের বাইরে থেকে দলের নাটকীয় কোনো প্রত্যাবর্তন দেখতে পাননি তিনি। বরং রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্তে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল বার্সা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফেরান তোরেসের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর অ্যালেক্সান্ডার সরলথকে ফাউল করে এরিক গার্সিয়া প্রথমে হলুদ কার্ড দেখলেও ভিএআরের সাহায্যে তাকে লাল কার্ড দিয়ে মাঠছাড়া করা হয়।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের কাছে রেফারির তীব্র সমালোচনা করেন রাফিনহা। তিনি বলেন, ‘খেলায় আমাদের পুরোপুরি লুট করা হয়েছে। রেফারির অনেক সমস্যা ছিল। তার কিছু সিদ্ধান্ত ছিল অবিশ্বাস্য। আমি জানি না অ্যাটলেটিকো কতগুলো ফাউল করেছিল, কিন্তু তিনি তাদেরকে কোনো কার্ড দেখাননি।’
প্রথমার্ধে দানি ওলমো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির আবেদন করেছিল বার্সা। যদিও রাফিনহা নির্দিষ্ট করে বলেননি ঠিক কোন সিদ্ধান্তটি নিয়ে তার সবচেয়ে বেশি আপত্তি। তবে প্রথম লেগের বিতর্কও তিনি সামনে এনেছেন। প্রথম লেগে বক্সের মধ্যে মার্ক পিউবিলের হ্যান্ডবলের পর বার্সা পেনাল্টি চাইলেও রেফারি তা দেননি। উয়েফার কাছে এ নিয়ে আপিল করেছিল বার্সা, কিন্তু উয়েফা তা ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে খারিজ করে দেয়।
রেফারির ভুল নিয়ে রাফিনহা আরও বলেন, ‘মানুষ একবার ভুল করতেই পারে, কিন্তু আরেকটি ম্যাচে একই ভুল কী করে হয়? আমরা খুব ভালো খেলেছিলাম। কিন্তু এই লড়াই আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হলো। এটা কঠিন ছিল, বিশেষ করে যখন ম্যাচ জেতার জন্য আমাদের তিন গোল করার লক্ষ্য ছিল।’
সবশেষে রেফারির সাহসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই তারকা বলেন, ‘আমি সত্যিই বুঝতে চাই, বার্সা ম্যাচটি জিতে যাবে ভেবে রেফারি কেন এত ভীত ছিলেন!’
এফপি/অ