নবম পে-স্কেল জারি না করা এবং জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে আজ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নং গেটের সামনে ও প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃফূর্তভাবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।
এসময় উপস্থিত আন্দোলনকারীরা জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্যকে “উসকানিমূলক” ও “অবিবেচনাপ্রসূত” আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। এছাড়া দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে সংগতি রেখে দ্রুত নতুন পে-স্কেল ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ চলাকালীন সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারি চাকুরিজীবীরা হিমশিম খাচ্ছেন, অথচ নতুন পে-স্কেল নিয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে সংবেদনশীল মন্তব্য সাধারণ কর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এবং অসংলগ্ন বক্তব্যের সুষ্ঠু সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐ্ক্য পরিষদের সাথে সমন্বয় করে তারা কর্মসূচি পালন করবেন। বিক্ষোভ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও এর সামনে থাকা প্রধান রাস্তা সহ গ্রাউন্ড ফ্লোরের জায়গাগুলো প্রদক্ষিণ করেন।
উক্ত বিক্ষোভ কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আরিফুর রহমান সুমন, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বাআবিকফ কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা শাহাজাদা খান, কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, সহ আরও বক্তব্য রাখেন সেলিম, সোহেল, শফিক, ইলিয়াস, ফরিদ সহ আরও অনেক।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও বাআবিকফ এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টার অন্যতম সদস্য শাহজাদা খান বলেন, “নবম পে-স্কেল এর আলোচনা শুরু করার সাথে সাথে বাজার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে, কর্মচারীরা পথে বসার মতো অবস্থা হয়ে গেছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক গুলোতে যোগাযোগ করলে দেখা যাবে কর্মচারীরা ঋণে জড়জড়িতো। তাই অবিলম্বে পে-স্কেল ঘোষণা করুন প্রজ্ঞাপন জারি করুন, এবং জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহার করুন। যদি প্রজ্ঞাপন জারি না করেন এবং জ্বালানী উপদেষ্টা তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন আমরা দাবি পিছ পা হটব না। আজকে এই নবম পে-স্কেলের দাবি শুধু সরকারি চাকরি জীবীদের নয় বরং এই দাবি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবিতে রুপান্তর হয়েছে।”
এফপি/জেএস