জাপান সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি)-এর সহায়তায় পরিচালিত সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ শেষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা (১৬ ফেব্রুয়ারি) সোমবার বিকাল ৪টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের ইউনিভার্সিটি অব ইয়ামানাশির মধ্যে স্বাক্ষরিত এমওইউর আওতায় এ প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় দেশের কৃষি খাতের বিদ্যমান সমস্যা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা তিনটি ফার্ম পরিদর্শন করেন। এছাড়া সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট এগ্রিকালচার প্রযুক্তিতে টমেটো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এগ্রিমাইন্ড কোং লিমিটেড ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের বিভিন্ন কৃষি উৎপাদন কেন্দ্রে সরাসরি কৃষিকাজ পর্যবেক্ষণ ও হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিনিময়, সেমিনার ও গ্রুপ ডিসকাশনেও তারা অংশ নেন।
উপাচার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা গৌরবের বিষয়। এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ করে। তিনি বলেন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ অর্জনের ক্ষেত্রেও এ অভিজ্ঞতা কার্যকর সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, প্রোগ্রামের ইনভাইটেড ফ্যাকাল্টি সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়ারনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ তারেক বিন সালাম, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী গাজী ইকরামুল হক রাকিব, তাসফিয়া জামান রোশনী, দেবাশীষ অধিকারী ও বিজ্ঞ দাস অতনু।
প্রসঙ্গত, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষার্থী সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করেন।
এফপি/জেএস