বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫-১৬ বছর আপনারা ভোট দিতে পারেননি। আপনাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
যারা কাজটি করেছে তারা দেশ থেকে চলে গিয়েছে। এখন আবার নতুন করে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে। যাতে নির্বাচন বাঁধাগ্রস্ত হয়। এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর হাতিয়ার দ্বীপ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, মুসলিম ভাইয়েরা তাহাজ্জুদ এবং ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। অন্য ধর্মের ভাই-বোনরাও সকাল-সকাল গিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দববেন। শুধু ভোট দিলেই চলবেনা, ওখানে থাকতে হবে। আপনার ভোটের হিসাব কড়াই-গন্ডায় বুঝে নিয়ে আসতে হবে। দেশটা আমাদের সকলের, সকল ধর্মের লোককে এক সাথে থেকে আমাদের দেশটা গড়তে হবে। এই দেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা।
তিনি আরও বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে ধানের শীষকে জিতাতে হবে। এর আগে এই এলাকার মানুষ অনেককে দেখেছে, তারা কিন্তু সমস্যার সমাধান করেনি। নদী ভাঙন রোধ, বেড়িবাঁধ, ব্লকবাঁধ এই গুলো আমরা ইনশাআল্লাহ করব। তবে আপনাদেরও একটা দায়িত্ব আছে। আপনাদের দায়িত্ব ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা। এ সময় তারেক রহমান ঘোষণা দেন বিএনপি সরকার গঠন করলে ধীরে ধীরে হাতিয়ার মানুষের সকল সমস্যার সমাধান করা হবে।
জনসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নোয়াখালী-৬ হাতিয়ার ধানের শীষের প্রার্থী মাহবুবের রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোসহ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
এফপি/জেএস