Dhaka, Friday | 17 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 17 April 2026 | English
সমুদ্রে এক বছরে নিখোঁজ ৯০০ রোহিঙ্গা
হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারাল আরও ৫ শিশু
মুজিবনগর দিবসে মুজিবনগরে নেই কোনো সরকারি আয়োজন
প্রধান ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
শিরোনাম:

চিলমারীতে টানা শৈত্যপ্রবাহে ইরি-বোরো বীজতলা হুমকিতে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:১২ পিএম  (ভিজিটর : ৩৮)

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে টানা শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে ইরি-বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। গত ১ সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে ইরি-বোরো বীজতলার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় সবুজ চারাগাছ হলুদ ও বিবর্ণ হয়ে পড়ায় চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো আবাদ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ইরি-বোরো বীজতলাই শীতের বিরূপ প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সূর্যের আলো না পাওয়ায় চারাগাছ দুর্বল হয়ে পড়ছে, পাতায় হলদে ভাব দেখা দিচ্ছে। কোথাও কোথাও চারাগাছ পচে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এতে কৃষকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে দিন দিন।

বীজতলা রক্ষায় কৃষকরা নিজ নিজ উদ্যোগে নানা ব্যবস্থা নিচ্ছেন। অনেকেই বীজতলার ওপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন, কেউ কেউ ছত্রাকনাশক ও প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন। তবুও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাঙ্খিত সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ তাদের।

উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের গবেরতল এলাকার কৃষক আকরাম হোসেন জানান, ‘তিনি ১২ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০০ জাতের বীজতলা তৈরি করেছেন। কয়েকদিনের টানা কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতে বীজতলা হলুদ হয়ে গেছে। সময়মতো চারা না পেলে বোরো আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।’

একই ইউনিয়নের রাজারভিটা এলাকার কৃষক আ. কাদের বলেন,‘বোরো চাষের জন্য বীজতলা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে চারাগুলো বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। পলিথিন দিয়ে ঢাকার পরও আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না তিনি।’

এ বিষয়ে কৃষি বিশেষজ্ঞ মো. নজরুল ইসলাম বলেন,‘দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের আলো না পেলে বোরো বীজতলার ক্লোরোফিল নষ্ট হয়, ফলে চারাগাছ হলুদ হয়ে যায়।’ তিনি পরামর্শ দেন, কুয়াশা কেটে গেলে দ্রুত পলিথিন সরিয়ে দিতে হবে এবং অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা ইউরিয়া স্প্র্রে করলে চারাগাছ দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু বীজতলায় সাময়িক ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বীজতলা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’

এফপি/অ



সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝