Dhaka, Friday | 3 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 3 April 2026 | English
১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু
হামের প্রকোপ বাড়ায় স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট
বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত
শিরোনাম:

মাদ্রাসাছাত্রীর মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ৫:১০ পিএম  (ভিজিটর : ২৭৭)

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাদ্রাসা ছাত্রী মোছা. তাছলিমা খাতুনের (১১) মাথার লম্বা চুল জোর করে কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে শুক্রবার (৩০ মে) প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

গত ২৭ মে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সেদিন দুপুরের খাবার দিতে গিয়ে তাছলিমার মাথা ন্যাড়া দেখতে পান বলে দাবি করেছেন তার মা আবেদা বেগম। 

তাছলিমা খাতুন তাড়াশের কৃষ্ণাদিঘী গ্রামের তালিমুল নিসা মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার কেতাব বিভাগের ছাত্রী।

তাছলিমা অভিযোগ করে বলেন, গত ২৭ মে বেলা ১টার দিকে মাদ্রাসার একজন নারী শিক্ষক তাছলিমাকে বলেন, তোমার মাথায় উকুন। বড় চুলের জন্য উকুন হয়েছে। এসো মাথা ন্যাড়া করে দেই। কিছুদিনের মধ্যে আবার চুল বড় হয়ে যাবে। এরপর প্রথমে সে কাঁচি দিয়ে চুল ছোট করে দেন । পরে বাজার থেকে শ্যাম্পু কিনে আনেন মাদ্রাসার বড় হুজুর হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল মারুফ। তারপর জোর করে ধরে দুই শিক্ষক তাছলিমাকে ন্যাড়া করে দেন।

তাছলিমার মা আবেদা বেগম বলেন, প্রতিদিন তিন বেলার খাবার পৌঁছে দিই আমি। ওই দিন মাদ্রাসায় খাবার দিতে গিয়ে দেখি মেয়ের মাথা ন্যাড়া। তার মাথায় তখনও রক্ত ঝরছে। পরে আমিও চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

তাছলিমার প্রতিবেশী রুনা পারভীন বলেন, তাছলিমার মাথার চুল ছিল কোমর পর্যন্ত। যখন খোপা বাঁধতো মাথার চেয়ে চুলের খোপা দেখতে বড় লাগতো।

তাছলিমার বাবা সমাজ আলী বলেন, ভ্যান চালানোর টাকায় আমাদের সংসার চলে। বৃদ্ধ মা, দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে পাঁচজনের পরিবার। অভাব-অনটন লেগেই থাকে সংসারে। তারপরও মেয়ের চুলের যত্নে কখনো অবহেলা করিনি। দুই ধরনের তেল কিনে দিতাম মেয়ের চুলে দেওয়ার জন্য। আমাদের না জানিয়ে কেন মেয়েকে ন্যাড়া করা হলো? আমার অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করেয়েছি। মাদ্রাসা থেকে একবার খবরও নিলো না। উল্টো মাদ্রাসা থেকে আমার মেয়েকে বের করে দেওয়ার পায়তারা চলছে। আমি বিচার চাই।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই মাদ্রাসার বড় হুজুর হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল মারুফ। তিনি বলেন, তাছলিমার মাথা আমরা ন্যাড়া করে দেইনি। সে ও তার সহপাঠিরা মিলে এই কাজ করেছে। 

তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে তার কাছে কেউ অভিযোগ দিতে আসেনি।  যদি সতত্যা পাওয়া যায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এফপি/রাজ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝