কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ এবং ডাকাত ও জলদস্যু দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
কিছুদিন ধরে কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও মাছ ধরার নৌযানে জলদস্যু ও ডাকাত চক্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে জলদস্যু ও ডাকাতদের অপতৎপরতা প্রতিহত এবং জড়িতদের আটক করতে কোস্ট গার্ড দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করেছে।
আধুনিক সক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ ও উচ্চগতির স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি আধুনিক র্যাডার, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ও GPS প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপকূলীয় ও সমুদ্রসীমায় চলাচলরত বিভিন্ন ধরনের জলযান এবং সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘সবুজ বাংলা’ এবং স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও কুতুবদিয়ার সদস্যরা দায়িত্বপ্রাপ্ত সমুদ্র এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজ ও সমুদ্রে মাছ আহরণে নিয়োজিত জেলেদের ডাকাত ও জলদস্যুদের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিরাপত্তা দেওয়া।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দেশের সমুদ্র, নৌপথ ও উপকূলীয় অঞ্চলকে ডাকাত ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ব্রিফিং প্রদান করেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন (ট্যাজ), বিএন, নির্বাহী কর্মকর্তা, বিসিজি বেইস কক্সবাজার।
এফপি/অ