রাজশাহীর পবায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক নামের এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। পেশায় তিনি গ্রাম্য চিকিৎসক।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুককে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। তার বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি। বাবা মজিবুর রহমান স্থানীয়ভাবে ক্বারী হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন বাড়িতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ জুলাই প্রতিদিনের মতো শিশুটি ওমর ফারুকের বাড়িতে পড়তে গেলে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দেওয়া হয়। পরে শিশুটিকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন ওমর ফারুক। বাড়িতে ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনার কথা জানায়।
শিশুটির মা বলেন, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। তিনি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় চুপচাপ থাকি। কিন্তু এলাকার লোকজন জানাজানি হলে পুলিশও জানতে পারে এবং অভিযুক্ত ওমর ফারুককে নিয়ে যায়। তিনি ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এফপি/র