মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, নিম্নমানের খাদ্য সংযোজন দ্রব্য ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের দায়ে নাজমা বেকারিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জ এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মুন্সীগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মুন্সীগঞ্জের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর ফারুক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মুন্সীগঞ্জের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. নূর-ই-আলম সোহাগ এবং পুলিশের একটি দল।
অভিযানকালে কাটাখালিতে অবস্থিত নাজমা বেকারির কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, নিম্নমানের খাদ্য সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত এবং কীটপতঙ্গ দমনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের সব পণ্যের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না থাকা, কারখানার মেঝেতে খাদ্যপণ্য রাখা, খাদ্যপণ্য উৎপাদনের স্থান ও টয়লেট একই স্থানে থাকা, উৎপাদন এলাকায় বিড়ালের উপস্থিতি এবং টয়লেটে হাত ধোয়ার জন্য সাবান না থাকার মতো বিভিন্ন অসংগতি শনাক্ত করা হয়।
এসব অপরাধের দায় স্বীকার করায় নাজমা বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে জরিমানার পুরো অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকতে এবং খাদ্য উৎপাদনের পরিবেশ ও পণ্যের মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সন্তোষজনক পরিবর্তন না হলে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী মামলা করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
এফপি/ফ