এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেছেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকে অবগত আছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার।’
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে বাঁশখালী পৌরসভার জালিয়াঘাটা ও আস্করিয়া পাড়ায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামের যে সব এলাকায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী তিন মাস ঋণ আদায় বন্ধ থাকবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে ইতিমধ্যে ঋণ কার্যক্রমে জড়িত সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ’
এ সময় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, সিনিয়র সহকারি সচিব শরীফ আহমেদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানী আকন, বাঁশখালী থানার (ওসি) রবিউল হক, এনজিও ব্যুরোর প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাহাদুর রইচ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার লোকমান আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, মাহমুদ, চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন ও ডা. আবির শাকরান মাহমুদ প্রমুখ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. জাকারিয়া
এফপি/ফ